Class 9 History Chapter 7 Question Answer: নবম শ্রেণির ইতিহাসের সপ্তম অধ্যায় “জাতিসংঘ এবং সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ”-এ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা, তার উদ্দেশ্য ও ব্যর্থতা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার পটভূমি, উদ্দেশ্য ও বিভিন্ন অঙ্গ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
এই অধ্যায়টি বার্ষিক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখানে ১ নম্বর, ২ নম্বর, ৪/৫ নম্বরের প্রশ্নোত্তর, MCQ এবং সম্ভাব্য পরীক্ষার প্রশ্ন একসঙ্গে সহজ ভাষায় সাজানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও তার পরবর্তী ঘটনাবলি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পড়তে দেখুন → [Class 9 History Chapter 6 Question Answer]
জাতিসংঘ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ — সংক্ষিপ্ত পরিচয়
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘ (League of Nations) প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্কিন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন তাঁর চোদ্দো দফা নীতির মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন।
কিন্তু জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখতে শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। এর দুর্বলতার অন্যতম কারণ ছিল গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলির মধ্যে ঐক্যের অভাব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সদস্য না হওয়া।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নতুন একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থা গঠনের পরিকল্পনা করা হয়। বিভিন্ন সম্মেলন ও ঘোষণার ধারাবাহিকতায় ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (United Nations Organization) প্রতিষ্ঠিত হয়।
Part A: ১ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর
১। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: জাতিসংঘ বা League of Nations।
২। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেন?
উত্তর: মার্কিন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন।
৩। উড্রো উইলসন কোন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।
৪। উড্রো উইলসনের চোদ্দো দফা নীতি কবে ঘোষিত হয়?
উত্তর: ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে।
৫। চোদ্দো দফা নীতির কত নম্বর দফায় আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়?
উত্তর: চতুর্দশ বা ১৪তম দফায়।
৬। জাতিসংঘের Covenant কবে গৃহীত হয়?
উত্তর: ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে।
৭। জাতিসংঘ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১০ জানুয়ারি ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে।
৮। জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
উত্তর: জেনেভায়।
৯। জাতিসংঘের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: বিশ্বশান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা করা।
১০। জাতিসংঘের সাধারণ সভায় প্রত্যেক সদস্যরাষ্ট্রের কতটি ভোট ছিল?
উত্তর: একটি।
১১। জাতিসংঘের প্রশাসনিক দপ্তর কী নামে পরিচিত ছিল?
উত্তর: সচিবালয়।
১২। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচারালয় কোথায় ছিল?
উত্তর: হেগে।
১৩। কোন গুরুত্বপূর্ণ দেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়নি?
উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
১৪। জাতিসংঘের একটি প্রধান দুর্বলতা কী ছিল?
উত্তর: এর নিজস্ব সামরিক শক্তি ছিল না।
১৫। ‘United Nations’ কথাটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
উত্তর: ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
১৬। আটলান্টিক সনদ কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে।
১৭। আটলান্টিক সনদের সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট ও উইনস্টন চার্চিল।
১৮। মস্কো ঘোষণা কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে।
১৯। ইয়াল্টা সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে।
২০। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে।
২১। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদর দপ্তর কোথায়?
উত্তর: নিউ ইয়র্কে।
২২। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য কয়টি?
উত্তর: পাঁচটি।
২৩। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য কারা?
উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও চিন।
২৪। ভেটো ক্ষমতা কী?
উত্তর: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে বাধা দেওয়ার বিশেষ ক্ষমতাকে ভেটো ক্ষমতা বলে।
২৫। আন্তর্জাতিক বিচারালয় কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: হেগে।
২৬। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
উত্তর: ট্রিগভি লি।
২৭। ILO-এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: International Labour Organization।
২৮। UNICEF কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: শিশু কল্যাণের সঙ্গে।
২৯। WHO কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: স্বাস্থ্যের সঙ্গে।
৩০। UNESCO কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সঙ্গে।
Part B: ২ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর
১। জাতিসংঘ কেন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
উত্তর: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং ভবিষ্যৎ যুদ্ধ প্রতিরোধ করাও এর উদ্দেশ্য ছিল।
২। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় উড্রো উইলসনের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: উড্রো উইলসন তাঁর চোদ্দো দফা নীতিতে একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর উদ্যোগ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ধারণাকে বাস্তব রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩। জাতিসংঘের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য লেখো।
উত্তর:
১. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
২. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করা।
৪। জাতিসংঘ কেন ব্যর্থ হয়েছিল?
উত্তর: জাতিসংঘের নিজস্ব সামরিক শক্তি ছিল না এবং সদস্যরাষ্ট্রগুলির মধ্যে ঐক্যের অভাব ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সদস্য না হওয়া এবং জার্মানি, ইতালি ও জাপানের আগ্রাসন রোধে ব্যর্থতাও এর দুর্বলতা প্রকাশ করে।
৫। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেন জাতিসংঘের সদস্য হয়নি?
উত্তর: মার্কিন সিনেট জাতিসংঘের Covenant অনুমোদন করেনি। ফলে উড্রো উইলসনের উদ্যোগ সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য হয়নি।
৬। আটলান্টিক সনদ কী?
উত্তর: ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে রুজভেল্ট ও চার্চিলের মধ্যে ঘোষিত যুদ্ধোত্তর বিশ্বের শান্তি ও সহযোগিতা সম্পর্কিত নীতিগুলিকে আটলান্টিক সনদ বলা হয়।
৭। মস্কো ঘোষণার গুরুত্ব কী?
উত্তর: ১৯৪৩ সালের মস্কো ঘোষণায় যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করা হয়। এর ফলে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।
৮। ইয়াল্টা সম্মেলনের গুরুত্ব কী?
উত্তর: ১৯৪৫ সালের ইয়াল্টা সম্মেলনে রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থা এবং সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
৯। ‘United Nations’ নামটির উৎপত্তি কীভাবে হয়?
উত্তর: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট ‘United Nations’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেন। পরে এই নামেই নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিত হয়।
১০। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের দুটি উদ্দেশ্য লেখো।
উত্তর:
১. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
২. রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
১১। নিরাপত্তা পরিষদ কী?
উত্তর: নিরাপত্তা পরিষদ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং আন্তর্জাতিক সংকটের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা এর প্রধান কাজ।
১২। ভেটো ক্ষমতা বলতে কী বোঝ?
উত্তর: নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে বাধা দেওয়ার ক্ষমতাকে ভেটো ক্ষমতা বলে।
১৩। আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ কী?
উত্তর: আন্তর্জাতিক বিচারালয় বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে আন্তর্জাতিক আইনসংক্রান্ত বিরোধের বিচার করে। এটি আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে পরামর্শমূলক মতামতও দিতে পারে।
১৪। সাধারণ সভার দুটি কাজ লেখো।
উত্তর: সাধারণ সভায় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া সংস্থার বাজেট অনুমোদন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ করা সাধারণ সভার গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
১৫। মহাসচিবের দুটি কাজ লেখো।
উত্তর: মহাসচিব সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন এবং সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন করেন।
১৬। জাতিসংঘ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর:
১. জাতিসংঘ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়; সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. জাতিসংঘের সদর দপ্তর ছিল জেনেভায়; সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদর দপ্তর নিউ ইয়র্কে।
Part C: ৪/৫ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর
১। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও উদ্দেশ্য আলোচনা করো।
উত্তর:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার পর বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। মার্কিন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন তাঁর চোদ্দো দফা নীতিতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯২০ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ছিল—
১. বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা।
২. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা।
৩. ভবিষ্যৎ যুদ্ধ প্রতিরোধ করা।
৪. রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
৫. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২। জাতিসংঘের ব্যর্থতার কারণগুলি আলোচনা করো।
উত্তর:
জাতিসংঘ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে গঠিত হলেও শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ করতে পারেনি।
এর প্রধান কারণগুলি হল—
১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতি: মার্কিন সিনেট Covenant অনুমোদন না করায় দেশটি জাতিসংঘের সদস্য হয়নি।
২. নিজস্ব সামরিক শক্তির অভাব: জাতিসংঘের নিজস্ব সেনাবাহিনী ছিল না।
৩. সদস্যরাষ্ট্রগুলির স্বার্থের সংঘাত: বিভিন্ন রাষ্ট্র নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিত।
৪. আগ্রাসী শক্তির উত্থান: জার্মানি, ইতালি ও জাপানের আগ্রাসন কার্যকরভাবে রোধ করা সম্ভব হয়নি।
৫. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার মাধ্যমে জাতিসংঘের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
৩। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার পটভূমি আলোচনা করো।
উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মিত্রশক্তির নেতারা যুদ্ধের পর একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন।
এর গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলি ছিল—
- আটলান্টিক সনদ — ১৯৪১
- United Nations Declaration — ১৯৪২
- মস্কো ঘোষণা — ১৯৪৩
- তেহরান সম্মেলন — ১৯৪৩
- ইয়াল্টা সম্মেলন — ১৯৪৫
এই ধারাবাহিক উদ্যোগের পর ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয়।
৪। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান উদ্দেশ্যগুলি আলোচনা করো।
উত্তর:
১. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
২. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা।
৩. রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা।
৪. অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
৫. মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান বৃদ্ধি করা।
৬. ভবিষ্যতে বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ করা।
৫। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান অঙ্গগুলি আলোচনা করো।
উত্তর: সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান অঙ্গগুলি হল—
১. সাধারণ সভা: আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
২. নিরাপত্তা পরিষদ: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে।
৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ: অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।
৪. আন্তর্জাতিক বিচারালয়: আন্তর্জাতিক আইনসংক্রান্ত বিরোধের বিচার করে।
৫. সচিবালয়: সংস্থার প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করে।
৬. অছি পরিষদ: অছি ব্যবস্থাধীন অঞ্চলগুলির উন্নয়নের বিষয়ে কাজ করত।
৬। নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও কার্যাবলি আলোচনা করো।
উত্তর:
নিরাপত্তা পরিষদ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এতে মোট ১৫ জন সদস্য থাকে—৫ জন স্থায়ী ও ১০ জন অস্থায়ী সদস্য।
স্থায়ী সদস্য:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও চিন।
প্রধান কার্যাবলি:
১. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
২. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করা।
৩. আগ্রাসী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৪. প্রয়োজনে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা করা।
৫. আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৭। ভেটো ক্ষমতা কী? এর গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তর:
নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ভোট দিয়ে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে বাধা দেওয়ার ক্ষমতাকে ভেটো ক্ষমতা বলা হয়।
গুরুত্ব:
১. স্থায়ী সদস্যদের বিশেষ মর্যাদা প্রদান করে।
২. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বৃহৎ শক্তিগুলির সম্মতি নিশ্চিত করে।
৩. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্থায়ী সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়।
৪. তবে ভেটো ব্যবহারের ফলে কখনও কখনও নিরাপত্তা পরিষদে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।
৮। জাতিসংঘ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো।
| বিষয় | জাতিসংঘ | সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ |
|---|---|---|
| প্রতিষ্ঠা | ১৯২০ | ১৯৪৫ |
| প্রেক্ষাপট | প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর | দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর |
| সদর দপ্তর | জেনেভা | নিউ ইয়র্ক |
| প্রধান লক্ষ্য | বিশ্বশান্তি | বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা |
| গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ | সাধারণ সভা, পরিষদ, সচিবালয় | সাধারণ সভা, নিরাপত্তা পরিষদ, সচিবালয়, বিচারালয় ইত্যাদি |
| ভেটো | বর্তমান ব্যবস্থার মতো নয় | পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা আছে |
Part D: গুরুত্বপূর্ণ MCQ
১। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়—
ক) ১৯১৮
খ) ১৯২০
গ) ১৯৩৯
ঘ) ১৯৪৫
উত্তর: খ) ১৯২০
২। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে কার নাম বিশেষভাবে যুক্ত?
ক) হিটলার
খ) স্ট্যালিন
গ) উড্রো উইলসন
ঘ) চার্চিল
উত্তর: গ) উড্রো উইলসন
৩। জাতিসংঘের সদর দপ্তর ছিল—
ক) নিউ ইয়র্ক
খ) জেনেভা
গ) লন্ডন
ঘ) প্যারিস
উত্তর: খ) জেনেভা
৪। ‘United Nations’ কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন—
ক) চার্চিল
খ) রুজভেল্ট
গ) উইলসন
ঘ) স্ট্যালিন
উত্তর: খ) রুজভেল্ট
৫। আটলান্টিক সনদ প্রকাশিত হয়—
ক) ১৯৪০
খ) ১৯৪১
গ) ১৯৪৩
ঘ) ১৯৪৫
উত্তর: খ) ১৯৪১
৬। মস্কো ঘোষণা প্রকাশিত হয়—
ক) ১৯৪১
খ) ১৯৪২
গ) ১৯৪৩
ঘ) ১৯৪৫
উত্তর: গ) ১৯৪৩
৭। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয়—
ক) ১৯২০
খ) ১৯৩৯
গ) ১৯৪২
ঘ) ১৯৪৫
উত্তর: ঘ) ১৯৪৫
৮। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদর দপ্তর কোথায়?
ক) জেনেভা
খ) হেগ
গ) নিউ ইয়র্ক
ঘ) লন্ডন
উত্তর: গ) নিউ ইয়র্ক
৯। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা—
ক) ৩
খ) ৫
গ) ১০
ঘ) ১৫
উত্তর: খ) ৫
১০। নিচের কোনটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য?
ক) ভারত
খ) জাপান
গ) ফ্রান্স
ঘ) জার্মানি
উত্তর: গ) ফ্রান্স
১১। স্থায়ী সদস্যদের বিশেষ ক্ষমতা কী নামে পরিচিত?
ক) ভেটো
খ) গণভোট
গ) নিষেধাজ্ঞা
ঘ) অছি
উত্তর: ক) ভেটো
১২। আন্তর্জাতিক বিচারালয় কোথায়?
ক) নিউ ইয়র্ক
খ) হেগ
গ) জেনেভা
ঘ) প্যারিস
উত্তর: খ) হেগ
১৩। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রথম মহাসচিব কে?
ক) ট্রিগভি লি
খ) রুজভেল্ট
গ) চার্চিল
ঘ) উইলসন
উত্তর: ক) ট্রিগভি লি
১৪। WHO কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত?
ক) স্বাস্থ্য
খ) শিক্ষা
গ) শ্রম
ঘ) শিশু কল্যাণ
উত্তর: ক) স্বাস্থ্য
১৫। UNESCO-এর সঙ্গে সম্পর্কিত—
ক) স্বাস্থ্য
খ) শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি
গ) সামরিক প্রতিরক্ষা
ঘ) আন্তর্জাতিক বিচার
উত্তর: খ) শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি
Part E: বোর্ড/বার্ষিক পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন
⭐⭐⭐ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
৪/৫ নম্বর
১. জাতিসংঘের ব্যর্থতার কারণগুলি আলোচনা করো।
২. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার পটভূমি আলোচনা করো।
৩. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান অঙ্গগুলি আলোচনা করো।
৪. নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও কার্যাবলি আলোচনা করো।
৫. জাতিসংঘ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো।
⭐⭐ গুরুত্বপূর্ণ
৬. জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও উদ্দেশ্য আলোচনা করো।
৭. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের উদ্দেশ্যগুলি আলোচনা করো।
৮. ভেটো ক্ষমতা কী? এর গুরুত্ব আলোচনা করো।
৯. আটলান্টিক সনদ, মস্কো ঘোষণা ও ইয়াল্টা সম্মেলনের ভূমিকা আলোচনা করো।
⭐ গুরুত্বপূর্ণ
১০. উড্রো উইলসনের চোদ্দো দফা নীতির গুরুত্ব আলোচনা করো।
পরীক্ষার জন্য দ্রুত Revision Notes
| বিষয় | মনে রাখার তথ্য |
|---|---|
| চোদ্দো দফা | উড্রো উইলসন |
| চোদ্দো দফা ঘোষণার বছর | ১৯১৮ |
| জাতিসংঘ | ১৯২০ |
| জাতিসংঘের সদর দপ্তর | জেনেভা |
| আটলান্টিক সনদ | ১৯৪১ |
| United Nations নাম | রুজভেল্ট |
| মস্কো ঘোষণা | ১৯৪৩ |
| ইয়াল্টা সম্মেলন | ১৯৪৫ |
| সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ | ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ |
| সদর দপ্তর | নিউ ইয়র্ক |
| নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য | ৫ |
| স্থায়ী সদস্যদের বিশেষ ক্ষমতা | ভেটো |
| আন্তর্জাতিক বিচারালয় | হেগ |
| প্রথম মহাসচিব | ট্রিগভি লি |
FAQ — জাতিসংঘ এবং সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ
জাতিসংঘ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
জাতিসংঘ বা United Nations Organisation (UNO) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ বা League of Nations ১০ জানুয়ারি, ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এটি গঠিত হয়েছিল।
সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা, বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা এবং ভবিষ্যতে যুদ্ধ প্রতিরোধ করা।
সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ কেন ব্যর্থ হয়েছিল?
সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ ছিল গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলির পূর্ণ সহযোগিতার অভাব, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সদস্য না হওয়া। এছাড়া নিজস্ব সামরিক শক্তির অভাব এবং আগ্রাসী রাষ্ট্রগুলির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারাও এর ব্যর্থতার কারণ ছিল।
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
জাতিসংঘের প্রধান উদ্দেশ্য হল আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং মানবাধিকার রক্ষায় সহযোগিতা করা।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায়?
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য কয়টি?
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য রয়েছে। এগুলি হল—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং চিন।
ভেটো ক্ষমতা কী?
ভেটো ক্ষমতা হল নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের বিশেষ ক্ষমতা। কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ক্ষেত্রে কোনো স্থায়ী সদস্য নেতিবাচক ভোট দিলে সেই প্রস্তাব গৃহীত হতে পারে না।
জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ কয়টি?
জাতিসংঘের ৬টি প্রধান অঙ্গ রয়েছে। এগুলি হল—সাধারণ সভা, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, আন্তর্জাতিক বিচারালয়, সচিবালয় এবং অছি পরিষদ।
আন্তর্জাতিক বিচারালয় কোথায় অবস্থিত?
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা International Court of Justice দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত।
জাতিসংঘ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে এটি আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
উপসংহার
“জাতিসংঘ এবং সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ” অধ্যায়টি মূলত দুটি আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থার ইতিহাস এবং তাদের সাফল্য-ব্যর্থতার সঙ্গে সম্পর্কিত। পরীক্ষার জন্য শুধু সাল মুখস্থ না করে জাতিসংঘ কেন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কেন ব্যর্থ হয়েছিল এবং কীভাবে তার অভিজ্ঞতা থেকে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল—এই ধারাটি বুঝে পড়া গুরুত্বপূর্ণ।
এই অধ্যায় থেকে ভালো প্রস্তুতির জন্য প্রথমে ১ নম্বরের তথ্য, তারপর ২ নম্বরের সংক্ষিপ্ত উত্তর, এবং শেষে ৪/৫ নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন অনুশীলন করলে প্রস্তুতি অনেক বেশি গোছানো হবে।
আরও পড়ুন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও তার পরবর্তী ঘটনাবলি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পড়তে দেখুন → [Class 9 History Chapter 6 Question Answer]